দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাড়ি ফেরার পথে বরযাত্রীর গাড়ি আটকে নববধূকে জোর করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের এক কর্মীর বিরুদ্ধে।
রোববার (২৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের হাজিপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত আতিকুর রহমান মিয়াদ চর হাজিপুর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি ছাত্রদলের কর্মী।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য, হোসেনপুরের সিদলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের তামান্না আক্তারের সঙ্গে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার রাজাবাড়িয়া গ্রামের আক্তার মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নববধূকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে বাড়ির দিকে রওনা দেন বর ও স্বজনরা।
হাজিপুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে ২০ থেকে ২৫ জন যুবক মাইক্রোবাসটির পথ আটকে দেন বলে অভিযোগ। এ সময় গাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পর নববধূ তামান্নাকে জোরপূর্বক নামিয়ে নেওয়া হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। তাদের ভাষ্য, আতিকুর রহমান মিয়াদের নেতৃত্বেই ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনার পর আতিকুর ও তামান্নার মধ্যে আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক থাকার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনায় আসে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাদের সম্পর্ক থাকলেও দুই পরিবার তা মেনে নেয়নি।
ঘটনার পর আতিকুর রহমান মিয়াদের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘জীবনে আর কিছু চাওয়ার নাই..!’ লেখা একটি পোস্ট দেওয়া হয়।
হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব দেলোয়ার হোসেন রাজীব বলেন, আতিকুর ছাত্রদলের কর্মী। তবে কীভাবে তিনি দলীয় অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের জন্য পাস পেয়েছিলেন, তা তার জানা নেই।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাফিউল ইসলাম নওসাদ বলেন, তারা ঘটনাটি জানতে পেরেছেন। বিষয়টি নিয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ বলছে, নববধূকে কীভাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এ ঘটনায় কারা জড়িত এবং এর পেছনে প্রকৃত কারণ কী তদন্তের পর তা স্পষ্ট হবে।
হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই যুবকের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। নববধূকে পাওয়া গেলে পুরো ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। পরিবারের আপত্তির কারণেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে আই